আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করে ঘটনাগুলোকে আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছেন দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব দাবি করেন।
ভিডিওতে তাকে বাগেরহাটের এক ছাত্রনেতা ও তার পরিবারের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করতে দেখা যায়। বক্তব্যের সময় তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলেন।
অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ভয়াবহ নৃশংসতা চলছে। তার ভাষায়, বিরোধী মত দমনে পরিকল্পিত সহিংসতা চালানো হচ্ছে।
বাগেরহাটের ছাত্রনেতা সাদ্দাম হোসেনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তাকে গ্রেপ্তারের পর এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানের মৃত্যুর ঘটনাও সন্দেহজনক বলে দাবি করেন তিনি।
শেখ হাসিনার অভিযোগ, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানো হয়েছে। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা উচিত।
বক্তব্যে তিনি লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের আরেক নেতার মৃত্যুর কথাও উল্লেখ করেন। দাবি করেন, নিখোঁজ থাকার কয়েকদিন পর নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার হলেও সেগুলোর পরিচয় শনাক্ত ও সঠিক তদন্ত হচ্ছে না বলে তার অভিযোগ।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
