নাসরীন সুলতানা
সহযোগী অধ্যাপক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
এসব ওয়াশিংটন পোস্টের খবর তো আমি কবেই স্বপ্নে দেখে ফেলেছি। নোকজন শুধু আমাকে পীর মানে না।
সে যাই হোক, বিএনপি’র উচিত নির্বাচনের ফলাফলের জন্য আগাম একটা প্রস্তুতি নেওয়া। জয়ী দলকে অভিনন্দন জানানোর একটা রীতি চালু হওয়া উচিত। আফটার অল, জামায়েত বিএনপি ভাই-ভাই।
এবার একটা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করি। নির্বাচন বা রাজনীতি দুইটাই কৌশলের খেলা। গত ১৭ বছরে বিএনপি শুধু হাউকাউ করেছে। জনস্বার্থে একটা হরতাল পর্যন্ত ডাকেনি। ফলে ধীরেধীরে জনবিচ্ছিন্ন হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেই বলেই যে লোকজন বিএনপিকে ভোট দিবে সেই দিন আর নেই। জায়গা জামায়েত দখল করেছে।
অনেকেই বলছে এ বছর নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ হবে প্রবাসীদের ভোটে। চারদিকে যা দেখছি, শুনছি সব জামায়েতের কর্মীরা ভোটার হয়েছে। এমনকি ব্যালট দেখে বুঝা যাচ্ছে কে কোন দলের সমর্থক। বিএনপির কাছে কি হিসেব আছে তার কতজন প্রবাসী কর্মী ভোটার হয়েছে?
আচ্ছা বিএনপি চেয়ারপারসন কি তার প্ল্যান শেষ পর্যন্ত খোলাসা করেছেন? প্ল্যান না জানলে লোকজন ভোট দিবে কি দেখে? জামায়েত তো দুই দিন পরপর একেকটা ঘোষণা দিচ্ছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ছাত্র সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে। সব দিক থেকেই জামায়েতের কৌশল অবশ্যই তাদের পক্ষেই আছে। আমি আপনি জামায়েতকে পছন্দ না-ই করতে পারি, তাদের কৌশল তো নির্বাচনে জেতা এবং সেটি তারা করবেই। বিএনপি যদি সকল তথ্য জানার পর সঠিক চালটা দিতে না পারে তবে আরো পাঁচ বছর বিরোধী দলে থাকার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে।
