দেশে নির্বাচন আদৌ হবে কি না এই প্রশ্ন এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান ও বক্তব্য এই সংশয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, অনিশ্চয়তা তৈরি হলে সাধারণ মানুষের আস্থাও নড়বড়ে হয়ে পড়ে।
বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, ভোটের পরিবেশ নিরাপদ না হলে অনেক ভোটার কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী হবেন না। তাঁর ভাষায়, নির্বাচনে যদি গুণ্ডামি বা মাস্তানির আশঙ্কা থাকে, তাহলে মানুষ কেন ভোট দিতে যাবে—এই প্রশ্নই তখন সামনে আসে। তিনি বলেন, পুলিশের কার্যক্রম ও প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়ে এখনো মানুষের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে, যা সংশয়কে জিইয়ে রাখছে।
তবে তিনি আশাবাদও ব্যক্ত করেন। মহিউদ্দিন আহমদের মতে, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হলে ধীরে ধীরে নির্বাচনবান্ধব পরিবেশ তৈরি হতে পারে এবং মানুষের ভয় ও অনীহা অনেকটাই কমবে।এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সরকার জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত ১৫ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে বলেও জানানো হয়।সব মিলিয়ে সরকার পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আসন্ন নির্বাচন শুধু বর্তমানের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এই লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।
