যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। CBS News-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE)-এর আইনজীবীরা ইমিগ্রেশন কোর্টে ৮ হাজারের বেশি মশন দাখিল করেছেন। এসব মশনের উদ্দেশ্য, বহু পেন্ডিং অ্যাসাইলাম কেসের মেরিট শুনানি না করেই বাতিল করা এবং আবেদনকারীদের তৃতীয় দেশে ডিপোর্ট করার পথ তৈরি করা।
Reuters-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য তৃতীয় দেশগুলোর তালিকায় Guatemala, Honduras, Ecuador ও Uganda-এর মতো দেশের নাম রয়েছে। তবে বিষয়টি এমন নয় যে সবাইকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৃতীয় দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগাম নোটিশ দেওয়া এবং তৃতীয় দেশে পাঠানো হলে নির্যাতন বা টর্চারের ঝুঁকি আছে কি না—সে বিষয়ে আদালতে আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকার কথা।
এ নিয়ে ইতোমধ্যে বড় ধরনের আইনি লড়াই চলছে। Reuters জানায়, এক ফেডারেল বিচারক দ্রুত তৃতীয় দেশে ডিপোর্ট করার নীতির বিরুদ্ধে আবারও কঠোর অবস্থান নিতে পারেন—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই নীতির পরিসর আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে Palau-এর সঙ্গে “third-country nationals” ট্রান্সফার নিয়ে আলোচনা করেছে ওয়াশিংটন, যা তৃতীয় দেশ ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিচ্ছেন অভিজ্ঞরা। কারও অ্যাসাইলাম কেসে যদি “third country” সংক্রান্ত নোটিশ, কোর্ট মশন বা ডিটেনশনের ঝুঁকি দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি সময়-সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দেরি না করে দ্রুত যোগ্য ও অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
