আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বাংলাদেশি নাগরিক ও শ্রমিক লীগ নেতা আজিজুল হক খোকনের (৫৮) মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর মরদেহ ব্রুকলিনের উইনথ্রোপ স্ট্রিটের ‘চিফ মেডিকেল এক্সামিনারের’ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং জানান যে খোকন গত শনিবার থেকে তাঁর কিউ গার্ডেনের বাসা থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী প্রতিটি প্রবাসী নাগরিকের সুরক্ষা এবং প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিদের দ্রুত পরিচয় নিশ্চিত ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এবং মার্কিন স্থানীয় প্রশাসন প্রবাসীদের আইনি ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের দিনই তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন এবং পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মরদেহের স্বজন বা প্রাথমিক পরিচয় নিশ্চিত হতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা ব্রুকলিনের আই-৯৯ উইনথ্রোপ স্ট্রিটের চিফ মেডিকেল এক্সামিনার কার্যালয়ের ফিউনারেলে পাঠায়।
নিহত খোকন মাগুরা জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং নিউইয়র্কের ‘অবকাশ স্টোরে’ কর্মরত অবস্থায় কিউ গার্ডেন এলাকায় একা বসবাস করতেন।
তিনি বিগত প্রায় ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও তাঁর অভিবাসনসংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র (ইমিগ্রেশন ডকুমেন্ট) ছিল না বলে জানা গেছে।
নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরা মরদেহ দ্রুত দেশে স্বজনদের কাছে প্রেরণে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।
