বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক.-এর নির্বাচন ২০২৬কে ঘিরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। এবারের নির্বাচনে সেলিম-আলী প্যানেলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী ডিউক খান (B7) সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে ভোটারদের কাছে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন।
সততা, পরিশ্রম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং অমায়িক ব্যবহারের কারণে ডিউক খানকে একজন জনবান্ধব ও কর্মঠ সংগঠক হিসেবে তুলে ধরছেন তার সমর্থকরা। দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলে তার নির্বাচনী প্রচারণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টারে ডিউক খানের সাংগঠনিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন, নিউইয়র্কের বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য।
ডিউক খানের সমর্থকদের মতে, বাংলাদেশ সোসাইটির মতো বৃহৎ একটি কমিউনিটি সংগঠনে সাধারণ মানুষের কথা বলার জন্য দরকার এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি সহজে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সবার কথা শুনতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনে আন্তরিক। তাদের প্রত্যাশা, ডিউক খান নির্বাচিত হলে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও জনমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
ডিউক খান তার নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের উদ্দেশে সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন। তার প্রচারণার মূল বক্তব্য, বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্বে এমন একটি কার্যকর ও ঐক্যবদ্ধ কমিটি গড়ে তোলা, যেখানে সাধারণ সদস্যদের মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সেলিম-আলী প্যানেলের প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। সেই প্যানেলের B7 নম্বর প্রার্থী ডিউক খান এবার সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সৎ, পরিশ্রমী ও অমায়িক একজন সংগঠক হিসেবে ডিউক খান কতটা ভোটারের আস্থা অর্জন করতে পারেন, তারই প্রতিফলন ঘটবে আসন্ন বাংলাদেশ সোসাইটি নির্বাচনের ভোটে।
