নিজস্ব প্রতিনিধি :সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীর রাজপথে বিশাল এক প্রতিরোধ মিছিল ও শোডাউন করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় রাজনীতির উত্তাল পরিস্থিতির মাঝে ছাত্রলীগের এই প্রকাশ্যে রাজপথে নামা সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের মাঝে নতুন করে চাঙ্গা ভাব ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাগর আহম্মেদ শামীম এর নেতৃত্বে শনিবার (১৩ জুন) সকাল ঠিক ৮টায় যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন মহাসড়কে জড়ো হতে থাকেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। দেখতে দেখতেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
পাঁচ শতাধিক লড়াকু ও ডেডিকেটেড নেতা-কর্মীর সুশৃঙ্খল উপস্থিতিতে মহাসড়কে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবরকে সাধুবাদ জানিয়ে মিছিলটি যমুনা ফিউচার পার্ক রোড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় নেতা-কর্মীদের কণ্ঠে ছিল প্রিয় নেত্রীকে বরণ করে নেওয়ার দীপ্ত শপথ এবং যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার বজ্রকণ্ঠ স্লোগান। দীর্ঘ দিন পর ছাত্রলীগের এই সুশৃঙ্খল এবং বিশাল শোডাউন প্রমাণ করে যে, রাজপথে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংগঠনটি এখনো কতটা ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী।
মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আমাদের প্রিয় নেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বার্তা আমাদের মাঝে নতুন প্রেরণা জুগিয়েছে। যেকোনো মূল্যে রাজপথে থেকে আমরা এই বার্তাকে স্বাগত জানাব এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার পক্ষে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করব।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ আবারো প্রমাণ করল, তারা ছাত্রসমাজের অধিকার রক্ষা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সদা প্রস্তুত। সাধারণ পথচারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরাও ছাত্রলীগের এই শান্তিপূর্ণ অথচ জাঁকজমকপূর্ণ শোডাউনকে বেশ ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছেন।
কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে মিছিলটি শেষ করে ছাত্রলীগ তাদের ঐতিহ্যবাহী সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর এমন বড় শোডাউন রাজধানীর রাজনৈতিক মহলেও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
