হামের টিকা না কিনে পরিকল্পিতভাবে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার প্রতিবাদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিচার দাবি করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক সাবেক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে একটি শিশুর ‘প্রতীকী মরদেহ’ কোলে নিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তিনি।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীর নাম ওয়াহিদুল আলম, যিনি চবির স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। কর্মসূচিকালে তাঁর হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘হামে আমার শিশুর প্রাণ ঝরে ইউনূস কেন ভিভিআইপি সার্ভিস চড়ে?’
ওয়াহিদুল আলম বলেন, “দেশের শিশুরা যখন টিকার অভাবে মারা যাচ্ছে, তখন প্রধান উপদেষ্টা ভিভিআইপি প্রটোকল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পূর্ববর্তী সরকার টিকার বাজেট রেখে যাওয়ার পরেও কেন আজ টিকার হাহাকার তৈরি হলো এবং শিশুদের জীবন গেল—সেই জবাব সরকারকে দিতে হবে।” তিনি এই শিশুমৃত্যুর ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ অভিহিত করে অতিদ্রুত ড. ইউনূসের গ্রেপ্তার দাবি করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় শত শত শিশু আক্রান্ত হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে টিকার সংকট নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চবি ক্যাম্পাসে এই প্রতীকী প্রতিবাদ সাধারণ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
