নিজস্ব প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মাত্র ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন এবং আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার সেই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এর আগে বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে পলাতক এই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার ‘হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার’ পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে জানা যায়, শিক্ষকের পাশবিক লালসার শিকার হয়ে শিশুটি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আসামিকে ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পাষণ্ড এই শিক্ষকের এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
