নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর আবারও গণভোটের ফল সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত ফলাফলে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা আগের ঘোষণার তুলনায় প্রায় ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ কম দেখানো হয়েছে।
তবে ফলাফল সংশোধনের কারণ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গণভোটে মোট ভোট পড়েছে সাত কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭টি।
এর মধ্যে বাতিল ভোটের সংখ্যা ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬টি। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১টি।
বৈধ ভোটের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পেয়েছে চার কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০টি এবং ‘না’ ভোট পেয়েছে দুই কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১টি।
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরদিন নির্বাচন কমিশন বেসরকারিভাবে যে ফলাফল প্রকাশ করেছিল, সেখানে বলা হয়
‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে চার কোটি ৮২ লাখ ৬৬০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে দুই কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি।
নতুন সংশোধিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ উভয় ধরনের ভোটই কমেছে। একই সঙ্গে বাতিল ভোটের সংখ্যা বেড়েছে, যা মোট ভোট কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফল প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর বড় অঙ্কের ভোট কমে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহল ও বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ভোট গণনায় ত্রুটি ছিল কি না, নাকি পুনঃযাচাইয়ের ভিত্তিতে ফল সংশোধন করা হয়েছে—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা না আসায় অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
সংশোধিত ফলাফলের প্রেক্ষিতে কমিশনের অবস্থান জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
