নিজস্ব প্রতিবেদক
এলপি গ্যাসে গ্রাহক পর্যায়ে চরম সংকট কমাতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ১৩৫৬ টাকার সরকারি মূল্যের সাড়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাস গ্রাহককে কমপক্ষে ২১০০ টাকা দামে কিনতে হচ্ছে।
এলপি গ্যাসের ওপরে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করেছে সরকার। অন্যদিকে আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম করের পরিবর্তে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করেছে।
শিল্পখাত ও গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য এ জ্বালানিপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম ধরে রাখার লক্ষ্যেই জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে এনবিআর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিদ্যমান ব্যবস্থায় এলপি গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম কর পরিশোধ করতে হতো। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (LOAB)-এর আবেদন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়। প্রজ্ঞাপণ দুটি ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এনবিআরের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট প্রত্যাহার করায় আমদানির পর স্থানীয় পর্যায়ে যে মূল্য সংযোজন হয়, তার ওপর আর কোনো ভ্যাট কার্যকর থাকছে না। ফলে এলপি গ্যাস ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তা পর্যায়ে মোট করের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
