নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ :রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও প্রশাসনের হয়রানির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে জেলা ছাত্রলীগের জনপ্রিয় ও নিবেদিতপ্রাণ সহসভাপতি মো. শরিফুল আলমকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সাধারণ ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ে সব সময় সরব থাকা এই ত্যাগী ছাত্রনেতাকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট একটি মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় চুনারুঘাট পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকা থেকে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শরিফুল আলম পৌর শহরের বড়াইল গ্রামের হাজি আব্দুর রশিদের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে তিনি একজন অত্যন্ত জনবান্ধব ও পরোপকারী তরুণ হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শরিফুল আলমকে আটক করে। পরে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওসি মো. সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ছাত্রলীগের সাধারণ কর্মীরা পুলিশের এই পদক্ষেপকে চরম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন।
তাঁদের মতে, এলাকায় শরিফুলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় ঈর্ষান্বিত হয়েই তাঁকে এমন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকা এবং জনকল্যাণমুখী কাজের কারণে তিনি সব সময় প্রশংসিত। ষড়যন্ত্রমূলক এই গ্রেপ্তার অবিলম্বে বন্ধ করে শরিফুল আলমের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
