আনম আয়াসের বিরুদ্ধে রাজধানীজুড়ে মব-তৎপরতা ও অপরাধের অভিযোগ
ভুয়া ভাবমূর্তি পুঁজি করে চাঁদাবাজি ও মাদকাসক্তিতে জড়ানোর দাবি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর
রাজধানীজুড়ে জুলাই আন্দোলনের ভুয়া ভাবমূর্তি পুঁজি করে মব-তৎপরতা, জোরপূর্বক চাঁদাবাজি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আনম আয়াসের বিরুদ্ধে।

গত শুক্রবার ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে আয়াসের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু তার বিরুদ্ধে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারের অভিযোগ উত্থাপন করেন।
আয়াসের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রধান দিকগুলো হলো: ১. সংঘবদ্ধ দলবল নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ওপর ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক চাঁদাবাজি। ২. জুলাই পরবর্তী পরিস্থিতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধী কার্যক্রম পরিচালনা। ৩. নারী নেতৃত্বের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং অনৈতিক প্রভাব বিস্তার।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা আগামী সপ্তাহে এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর পরিকল্পনা করেছেন।
আয়াস মূলত একজন সাজাপ্রাপ্ত এবং পুলিশের পরোয়ানাভুক্ত আসামি, যার প্রকৃত নাম মো. আল উজ্জ্বল আহমদ ওরফে ‘উজ্জ্বল’। সাজা ও অতীত অপরাধ ঢাকতেই ঢাকায় এসে তিনি ‘আনম আয়াস’ নাম ধারণ করেন।
অভিযোগকারী তার বক্তব্যে বলেন, “আয়াস দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ মারাত্মক মাদকাসক্তিতে ডুবে আছেন এবং নিজের পরিচয় আড়াল করতে নতুন নাম ব্যবহার করছেন।”
আয়াসের বিরুদ্ধে ওঠে আসা অন্যান্য দাবি: ১. তিনি নিজের সাজাপ্রাপ্ত পরিচয় গোপন রাখতে নতুন নাম ও রাজনৈতিক ঢাল ব্যবহার করছেন, যা তার অতীত ঢেকে রাখতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২. আয়াসের মূল হাতিয়ার সংঘবদ্ধ দলবল বা ‘মব’, যা দিয়ে তিনি পুরো এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব বলয় তৈরি করেছেন বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনম আয়াসের মন্তব্য পাওয়া যায়নি; টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক অস্থিরতার কারণে স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগকারীদের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকেই এখন সবার নজর।
