অগ্নিঝরা মার্চ ও মহান স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান–এর জন্মবার্ষিকী, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে এসব কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
দলীয় নেতারা জানান, জাতির পিতার নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। মার্চ মাস জাতির ইতিহাসে গৌরব, বেদনা ও প্রেরণার অনন্য অধ্যায়।
৭ মার্চ: ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস
৭ মার্চ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণ এবং টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ পাঠ, আলোচনা সভা এবং তরুণ-যুব-ছাত্রসহ নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরতে সংলাপের আয়োজন করা হবে।
১৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী
জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ধানমন্ডি ৩২ ও টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। পাশাপাশি আলোচনা সভা, শিশুদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি এবং অসহায়-দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য ও সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
২৫ মার্চ: গণহত্যা দিবস
গণহত্যা দিবসে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
২৬ মার্চ: মহান স্বাধীনতা দিবস
স্বাধীনতা দিবসে সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ধানমন্ডি ৩২ ও টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর শাখাসহ সারাদেশে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকে সময়োপযোগী পৃথক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে কর্মসূচির পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংযোজন বা বিযোজন হতে পারে।
