আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক বিচারক নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জনের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংস্থাটির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নেওয়া এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের ফলে ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে ওয়াশিংটনের বড় ধরনের কূটনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘ সনদ, রোম চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক আইনের সার্বজনীন কাঠামোর অধীনে স্বাধীন বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আইনের শাসন বজায় রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, আমেরিকানদের বিচার ঠেকানো ও বিপথগামী আদালত আখ্যা দিয়ে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও ট্রেজারি বিভাগ ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড দিয়েছে।
আইসিসি একে আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত বলে উল্লেখ করে ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রকে সংস্থাটি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা কর্মকাণ্ডের তদন্তের ক্ষোভ থেকেই ওয়াশিংটন এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা যায়।
কাকতালীয়ভাবে শুক্রবার নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক আইন ও বিচারকদের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থনকে আরও দৃঢ় করেছেন।
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক এই আদালত বিশ্বের শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে ৭০টির বেশি পরোয়ানা জারি করলেও ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর পর থেকে বিকল্প ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।
