ফোরটিন ডেস্ক : ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কগামী যাত্রীরা শুঁটকি, আচার, মসলা কিংবা মিষ্টি বহনের ক্ষেত্রে কাস্টমস আইন ভঙ্গ করলে জনস্বাস্থ্য ও কৃষি সুরক্ষার স্বার্থে জননেতা বা প্রবাসীদের ব্যাগ আটকে দেওয়ার পাশাপাশি আইনি প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারে মার্কিন বর্ডার পেট্রোল। দেশটির কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) কর্মকর্তাদের মতে, সঙ্গে থাকা যেকোনো খাবারের তথ্য গোপন না করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করাই জরিমানা ও আইনি হয়রানি এড়ানোর একমাত্র সঠিক মাধ্যম।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের কঠোর আইনানুযায়ী সকল প্রকার কৃষিজ পণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ভ্রমণের প্রাথমিক কাস্টমস ফরম এবং সাক্ষাৎকার বোর্ডে ডিক্লেয়ার করা বাধ্যতামূলক।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কাস্টমস রেগুলেশন এবং কৃষি আমদানিনীতি অনুযায়ী অননুমোদিত মাংস, উদ্ভিজ্জ বীজ বা দুগ্ধজাত পণ্য দেশে বহন করে আনা সম্পূর্ণ বেআইনি। অননুমোদিত খাদ্যদ্রব্য লুকানোর অপচেষ্টা ধরা পড়লে যাত্রী সুবিধা বাতিলসহ কঠোর আর্থিক জরিমানার সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক নির্দেশনা রয়েছে।
আমেরিকান কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) যৌথভাবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিদেশি রোগজীবাণু সংক্রমণ রোধে বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের মালামাল নিবিড়ভাবে মনিটরিং করছে।
মার্কিন কাস্টমস সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, “খাবার গোপন করলে কয়েকশো ডলার আর্থিক জরিমানা ও ভ্রমণ সুবিধা বাতিলের চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হবে।”
তারা আরও স্পষ্ট করেছে যে, শুঁটকি বা মাছ জাতীয় খাদ্য সামগ্রী কাঁচা মাংসের আওতায় না পড়লেও কাস্টমস পরীক্ষার সময় প্রতিটি পণ্যের উৎস ও প্রস্তুতপ্রণালি সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।
প্রবাসীদের সুবিধার্থে কেনাকাটার মূল রসিদ সঙ্গে রাখা এবং খাবারগুলো মূল প্যাকেটে বহন করার জন্য মার্কিন বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে বিশেষ পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রগামী নতুন ও পুরনো প্রবাসী প্রবাসীদের অসচেতনতার কারণে প্রায়ই জেএফকে বিমানবন্দরে মালামাল বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় প্রবাসী কমিউনিটিতে হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে।
মার্কিন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, যেকোনো খাবার নিয়ে সন্দেহ থাকলে যাত্রার পূর্বে সরকারি নীতিমালা যাচাই করা ও বিমানবন্দরে পৌঁছে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে তা উপস্থাপন করা আবশ্যক।
