সিলেট প্রতিনিধি : মাদক কারবারের অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নিজের স্ত্রীকে দিয়ে অনৈতিক দেহব্যবসা পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সিলেটের ছাত্রদল নেতা মারুফ আহমদ অনিকের বিরুদ্ধে। একের পর এক এমন সামাজিক ও নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সামনে আসায় সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মারুফ আহমদ অনিকের বাসা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোপন তৎপরতার নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে বার্তা বিনিময়ের একটি স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে অনিকের বাসাকে কেন্দ্র করে মাদক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়টি প্রথম জনসমক্ষে আসে এবং ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার অনিকের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রীকে দিয়ে অনৈতিক দেহব্যবসা করানোর মতো চরম আপত্তিকর অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এমন অন্ধকার ব্যবসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সিলেটে তোলপাড় শুরু হয়।
সংগঠনের এমন এক নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর সব অপরাধের অভিযোগ ওঠায় দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ নেতাকর্মীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংগঠনের সুনাম রক্ষার্থে অবিলম্বে মারুফ আহমদ অনিককে ছাত্রদল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মারুফ আহমদ অনিকের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়টিতে ছাত্রদলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আইনি পদক্ষেপের তথ্যও এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
