আমার শিক্ষার্থী আমার প্রাণ আমার সন্তান শারমিন তার বিদায় বেলায় বেশ কয়েকটি সমস্যা চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে গিয়েছে
১.শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গের ফ্রিজ গুলো নষ্ট।
২.শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ফটকের সিসি ক্যামেরা নষ্ট।
৩. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের লাশ কাটা ঘরে কলেজের নিয়োগকৃত নয় এমন মানুষ লাশ সেলাই করে।
৪. যে মানুষ লাশ সেলাই করে সে এম্বুলেন্স ভাড়া দেয়।
৫. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মাত্র একজন কর্মচারী।
গতকাল বিকাল ৪.৩৬ থেকে আজ সকাল ১১.৩০ মিনিট মোট ১৯ ঘন্টায় মনে হয়েছে মেয়ে হয়ে জন্ম নেয়া পাপ।আর মনে হয়েছে এ আমি কোন দেশের নাগরিক? যেখানে হাসপাতালের এত ন্যাক্কারজনক অব্যবস্থাপনা।
আমি আমার শিক্ষার্থী শারমিন হত্যার বিচার চাই।শারমিন চলে গিয়েছে, কিন্ত আমাদের নতুন করে বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে এ দেশটা নারীর জন্য নয়।
তবে আমি ওর লাশ বিদায় করে প্রতিজ্ঞা করেছি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের এই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কেউ রুখে না দাঁড়ালেও আমি একাই দাঁড়াব।ইনশাআল্লাহ। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য সচিব,মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল, পরিচালক,উপ পরিচালক,ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সবাইকে অবগত করা হয়েছে।নিয়মিত মনিটরিং করে যাব।। আল্লাহ ভরসা।
ড. জেবউননেছা
অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
