ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর উপস্থিতিতে দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।
সোমবার বিকেলে দাগনভূঞা আতাতুর্ক হাইস্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপির আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন ও সদস্যসচিব বরাত চৌধুরী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল ৫টার দিকে মন্ত্রী মঞ্চে ওঠার পর তাকে ফুল দেওয়ার সিরিয়াল ও মঞ্চে আগে বসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মন্ত্রীর ছোট ভাই আকবর হোসেনের সমর্থক এবং পৌর বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি সাইফুর রহমান স্বপনের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এক পর্যায়ে মন্ত্রীর সামনেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বিএনপি নেতা আকবর হোসেন, সাইফুর রহমান, রতন, যুবদল নেতা ফটিক ও দিপলুসহ উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অনুষ্ঠান ভণ্ডুল করার চেষ্টা করেছে।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির সদস্য মাহবুবুল হক রতন অভিযোগ করেন, মন্ত্রী দলের ভাইস চেয়ারম্যান হয়েও নিজের ভাইয়ের পক্ষ নিয়েছেন। এর প্রতিবাদে তারা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
