ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রদল নেতা ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর স্টিলব্রিজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিচয় ও ঘটনার সূত্রপাত নিহত ছাত্রদল নেতার নাম রবিউল ইসলাম (৩০)। তিনি জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ কর্তৃক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে স্বাগত জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করছিলেন। এ সময় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলামের সঙ্গে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আউয়াল হাওলাদার, মো. রাসেল, এবং মো. শাকিলের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। জানা গেছে, মূলত মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়া বা না পাওয়া নিয়েই এই দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল।
হামলা ও মৃত্যু বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আউয়াল হাওলাদার ধারালো ছুরি দিয়ে রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। স্থানীয়রা রবিউলকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত আউয়াল হাওলাদার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী ছিলেন।
পুলিশের বক্তব্য বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম একজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, “মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়া না-পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
