নিজস্ব প্রতিবেদক: পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজার এলাকা থেকে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরকে অপহরণ করে রাতভর নির্যাতন ও এক লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাকিব মাদবর ও কর্মী সিয়ামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) আশঙ্কাজনক অবস্থায় নির্যাতিত শিক্ষার্থী মনিরকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর অধীন অপহরণ, বলপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আদায় (মুক্তিপণ) এবং মারাত্মক শারীরিক আঘাত প্রদান করা জামিনঅযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য।
স্থানীয় থানা পুলিশ এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত সরকারি সংস্থা বিভাগীয় প্রশাসনিক আওতায় এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত তদারকি করে থাকে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর ছাড়াও ব্যবহৃত স্যামসাং এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসক তামান্না রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, মনিরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর ও মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সাকিব মাদবর অপহরণ ও মুক্তিপণের দাবি অস্বীকার করে ঘটনাটিকে গভীর রাতে স্থানীয় জনরোষের পরিণতি বলে দাবি করেছেন।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে সহিংসতা ছড়ানো রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
