নিজস্ব প্রতিনিধি : কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিধানসভায় সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএকে) ডাকা বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আজাদ কাশ্মীর।
গত ৫ জুন শুরু হওয়া এই আন্দোলন ৯ জুনের হরতালের পর থেকে চরম আকার ধারণ করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গত প্রায় দুই সপ্তাহে চলা এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতোমধ্যে বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে জেএএকের ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এই সংঘাতের জেরে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেল ও হামলায় এ পর্যন্ত ৯৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।
আজাদ কাশ্মীরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক জানিয়েছেন, রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত রাওয়ালকোট শহরটি বর্তমানে এই বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাওয়ালকোটসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় কারফিউ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছে।
টানা বিক্ষোভ, সংঘাত ও কারফিউয়ের কারণে আজাদ কাশ্মীরের জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ।
নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মুজাফফরাবাদের বাসিন্দা মুহম্মদ মাসকিন জানান, ওষুধের জন্য কয়েকদিন ধরে ঘুরলেও বড় ফার্মেসিগুলো বন্ধ থাকায় তা মিলছে না এবং যে কয়েকটি খোলা আছে সেখানেও সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে।
বাজারগুলো পুরোপুরি বন্ধ থাকায় শাক-সবজি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আরেক বাসিন্দা সাবার হোসেন। ফলে গত আটদিন ধরে তারা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং অঞ্চলটিতে মানবিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।নিজস্ব প্রতিনিধি : কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বিধানসভায় সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএকে) ডাকা বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আজাদ কাশ্মীর।
গত ৫ জুন শুরু হওয়া এই আন্দোলন ৯ জুনের হরতালের পর থেকে চরম আকার ধারণ করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গত প্রায় দুই সপ্তাহে চলা এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতোমধ্যে বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে জেএএকের ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এই সংঘাতের জেরে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেল ও হামলায় এ পর্যন্ত ৯৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন।
আজাদ কাশ্মীরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক জানিয়েছেন, রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত রাওয়ালকোট শহরটি বর্তমানে এই বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাওয়ালকোটসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় কারফিউ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শহরের প্রধান সড়কগুলো অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছে।
টানা বিক্ষোভ, সংঘাত ও কারফিউয়ের কারণে আজাদ কাশ্মীরের জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ।
নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মুজাফফরাবাদের বাসিন্দা মুহম্মদ মাসকিন জানান, ওষুধের জন্য কয়েকদিন ধরে ঘুরলেও বড় ফার্মেসিগুলো বন্ধ থাকায় তা মিলছে না এবং যে কয়েকটি খোলা আছে সেখানেও সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে।
বাজারগুলো পুরোপুরি বন্ধ থাকায় শাক-সবজি ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আরেক বাসিন্দা সাবার হোসেন। ফলে গত আটদিন ধরে তারা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং অঞ্চলটিতে মানবিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।
