মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাওয়া অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে প্লেন কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সোমবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের এক সমন্বয় সভায় তিনি বলেন, “আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছে যে, ‘আমাদের বোয়িংগুলি ইউজ করেন’। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নিব।” বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপ থেকেও উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “আমরা এদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং জার্মানি থেকে যে এয়ারবাস তৈরি হয়, সেখান থেকে ওদের কাছ থেকেও কিনছি, ওদের কাছ থেকেও কিনব। আমরা সবকিছুই বাড়াব, ভালো করব।”
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর এক্স পোস্টে জানান, গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ বিপুল অর্থের বোয়িং কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিগত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সাথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার একটি চুক্তি হয়, যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৫,৪০৮ কোটি টাকা। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে এগুলো ধাপে ধাপে দেশে পৌঁছাবে।
প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন ও জনবান্ধব কাজের আহ্বান জানিয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এখন দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে সরকারি কর্মকর্তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জনবিরোধী কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। আমরা এবার জনগণের জন্য কাজ করতে চাই এবং শেখ হাসিনার পতন থেকে আমাদের রাজনৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত।” জোরপূর্বক বা স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে কর্মকর্তাদের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে ময়মনসিংহ, শেরপুর ও নেত্রকোণা অঞ্চলের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
