নিজস্ব প্রতিবেদক, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে তথাকথিত ‘জুলাই আ’ন্দো’লনে’ দেশে সংঘটিত প্রতিটি নির্মম হ*ত্যাকাণ্ড ও নৈ’রাজ্যের আসল নেপথ্য নায়ক ও মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং লন্ডনে বসে কলকাঠি নাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এমনই এক চাঞ্চল্যকর ও অন্তরাল উন্মোচনকারী তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরেছেন চারবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ আয়োজিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বার্তায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের চক্রান্তে মেটিকিউলাস ডিজাইন (Meticulous Design) বা সূক্ষ্ম ছক কষে কীভাবে লা*শ ফেলার রাজনীতি করা হয়েছিল এবং নির্দোষ মানুষকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছিল।
“তারেক জিয়া পরামর্শ দিয়েছিল লা*শ লাগবে, লাশ পেলেই সরকার পতন হবে”
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা জুলাই আন্দোলনের পেছনের র-ক্তাক্ত ষড়যন্ত্রের বিশদ বিবরণ তুলে ধরে বলেন, তৎকালীন সরকার পতনের উদ্দেশ্যে বিএনপি ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা পরিকল্পিতভাবে হ*ত্যাকাণ্ডের পথ বেছে নিয়েছিল।
তাঁর বিস্ফোরক বক্তব্য অনুযায়ী:
“২০২৪ সালের ১৫ জুলাই থেকে জুলাই আ’ন্দো’লনে যে সমস্ত নির্মম হ*ত্যাকাণ্ড ও প্রাণহানি ঘটেছে, তার সবগুলোর সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন ইউনুস। লা*শের ওপর দাঁড়িয়ে, র*ক্ত গড়িয়েই তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া তৎকালীন সময়ে ইউনুসকে সরাসরি পরামর্শ দিয়েছিল—‘লা*শ লাগবে, র*ক্ত লাগবে, লা*শ পেলেই সরকার পতন ত্বরান্বিত করা যাবে’। তারা এক মেটিকিউলাস ডিজাইনের মাধ্যমে তথাকথিত আ’ন্দো’লন উসকে দিয়েছিল কেবল ক্ষমতায় আসার জন্য। শেখ হাসিনা বলছেন আমি কখনো লা*শের বা র*ক্তের রাজনীতি চাইনি, করতেও চাই না।”
“আমার যে সমস্ত লোককে হ*ত্যা করা হয়েছে, প্রতিটি হ*ত্যার বিচার হবে ইনশাআল্লাহ”
জুলাই-আগস্টের স-হিংসতায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের শত শত নিষ্ঠাবান কর্মী, সাধারণ পথচারী এবং দেশের নিরপরাধ নাগরিকদের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি বিচারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি অত্যন্ত কঠোর ও প্রত্যয়ী কণ্ঠে ঘোষণা দেন:
“আজ যারা ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে বা রাষ্ট্র পরিচালনা করছে, তাদের হাত আমার নিরীহ কর্মীদের র*ক্তে রাঙানো। আমার যে সমস্ত নিরীহ মানুষকে, আমার নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে হ*ত্যা করা হয়েছে—আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, অচিরেই বাংলার মাটিতে প্রতিটি হ*ত্যাকাণ্ডের আইনি ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে, ইনশাআল্লাহ। ঘাতক ও চক্রান্তকারীদের কেউই রেহাই পাবে না।”
মেটিকিউলাস ডিজাইনের থোড় বোরি খাড়া ও জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর এই ঐতিহাসিক ও সত্যোন্মোচক বক্তব্যের পর দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের চোখ খুলে যেতে শুরু করেছে। এতদিন ধরে যারা ‘জনগণ ও ছাত্রদের আ’ন্দো’লন’ বলে মিথ্যা বয়ান ফেরি করছিল, তাদের আসল রক্তাক্ত মুখচ্ছবি আজ জাতির সামনে সম্পূর্ণ উন্মোচিত হলো।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আ’ন্দো’লনের নামে কীভাবে চক্রান্ত করে প্রাণহানি ঘটানো হয়েছিল, শেখ হাসিনার এই সাহসী বক্তব্য তার এক প্রামাণ্য দলিল। আগামী ডিসেম্বরে তাঁর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে এই দেশবিরোধী চক্রান্তকারী ও লা’শ নিয়ে রাজনীতি করা চক্রের চূড়ান্ত অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
